তাওহিদের দুই রুকন!

শায়খ আসিম বিন তাহির (হাফিজাহুল্লাহ)

 

 

ডাউনলোড

প্রত্যেকের জানা উচিত যে, আল্লাহ তাআলাই প্রতিটি বস্তু ও প্রতিটি জীবের সৃষ্টিকারী ও পালনকারী পরম সত্তা। নামাজ, যাকাত বা অন্য যেকোনো ইবাদতের পূর্বে দৃঢ়তম যে বিষয়টির জ্ঞানার্জন ও প্রয়োগের জন্য আল্লাহ তাআলা আদম সন্তানদেরকে আদেশ করেছেন তা হচ্ছে আল্লাহ তা’আলার একত্ববাদে ঈমান আনয়ন করা এবং অন্য সকল ইলাহকে (অর্থাৎ তাগুতকে) প্রত্যাখান ও অবিশ্বাস করা।

Continue reading

শরীয়তের সুস্পষ্ট বিধাণের বিরোধিতা বা প্রত্যাখ্যান করা দলের ব্যাপারে হুকুম

শাইখ নাসির আল-ফাহাদ (ফাক্কাল্লাহু আসরাহ) এর কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল –

যারা বলে তাইফাহ মুমতানি’য়াহ ব্যাপারে দুটি মত আছে, তাদের জবাবে কী বলা উচিৎ? আর শাইখুল ইসলাম (ইবনু তাইমিয়া) এ ব্যাপারে যে ইজমার কথা বলছেন – এটা যে  অস্বীকার করে এবং বলে, “আমি ইজমা থাকার ব্যাপারে দাবিটি খতিয়ে দেখলাম কিন্তু এমন কিছু খুঁজে পেলাম না” – তাদের ক্ষেত্রে জবাব কী হবে? তাছাড়া এটা কিভাবে সম্ভব যে তাইফাতুল মুমতানি’য়াহর ব্যাপারে সাহাবীদের রা. মধ্যে ইজমা থাকার পরও পরবর্তীতে ফকিহগণ এ ইজমার সাথে ভিন্নমত পোষণ করলেন? এবং তাইফা মুমতানি’য়াহর কুফরের ব্যাপারে ভিন্নমত পোষণ করলেন?

Continue reading

দরবারী আলিমদের মতে তাকফির

আশ-শাইখ আল্লামা নাসির ইবনু হামাদ আল-ফাহাদ ফাক্কাল্লাহু আসরাহ বলেনঃ

শুনে রাখুন আমার মুসলিম ভাইয়েরা, অধিকাংশ আলিমরা দুঃখজনকভাবে তাকফিরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে মূলনীতি এতোদিন জানতেন না, তা হল যে ব্যক্তি এমন কোন কাজ করে যা তাকে ইসলামের গণ্ডী থেকে বের করে দেয় – সে কখনো শাসকদের একজন হতে পারে না। কারণ শাসকরা যে কুফর বা শিরকই করুক না কেন, তাদের তাকফির করা হলে আকাশ ভেঙ্গে পড়া এবং পর্বতমালা ধ্বসে পড়ার মতো অবস্থা হবে।

Continue reading

গণতন্ত্র ও সংসদে অংশগ্রহণের ব্যাপারে হুকুম – শায়খ নাসির আল ফাহদ

শাইখ নাসির ইব্‌ন হামদ আল-ফাহাদ (ফাক্কাল্লাহু আশরাহ) -কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল গণতন্ত্রের অর্থ কী? শূরা এবং গণতন্ত্রের মধ্যে পার্থক্য কী? এবং সংসদে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কী হুকুম?

শাইখ (ফাক্কাল্লাহু আশরাহ) -এর জবাব: গণতন্ত্র হল জনগণের শাসন। যার অর্থ হল আইন প্রণয়ন এবং হালাল-হারাম নির্ধারণের অধিকার জনগণের। ইসা (আ) -এর জন্মের আগে প্রাচীন গ্রীসে এর অস্তিত্ব ছিল। ইংরেজ এবং ফরাসী বিপ্লবের সময় থেকে এ ধারণা আরো বিকশিত হতে হতে আজকের অবস্থায় পৌছেছে।

এটি নির্জলা কুফর, বিধান দেয়ার অধিকার একমাত্র আল্লাহ তা’আলার, যার কোন শরীক নেই। যেমনটা তিনি বলেন,

وَلَا يُشْرِكُ فِي حُكْمِهِ أَحَدًا
হুকুম দেয়ার ক্ষেত্রে তিনি কাউকে নিজের সাথে শরীক করেন না” [সূরা কাহাফ: ২৬]

 

বিয়ে এবং ব্যাভিচারের মধ্যে যত পার্থক্য, শূরা এবং গণতন্ত্রের মধ্যে পার্থক্য তার চেয়েও বেশি। এবং সেগুলো কয়েকটি দিক থেকে:

১. শূরা শুধু ইজতিহাদি বিষয়ের ক্ষেত্রে হতে পারে, যেগুলোর ব্যাপারে স্পষ্ট কোন নস পাওয়া যায় না। কিন্তু যে বিধানগুলো সুস্পষ্ট, সেগুলোর ব্যাপারে কোন শূরা নেই। অথচ গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে এরকম কোন শর্ত নেই।

২. শূরা হল “আহলুল-হাল ওয়াল-আকদ” এর মধ্য থেকে যারা ইহসান, ইখলাস এবং দ্বীনদারিতার ব্যাপারে সুপ্রসিদ্ধ, সেইসব সালিহ বান্দার জন্য। অথচ গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে সংসদ হল এমন কিছু লোকদের জন্য যাদেরকে জনগণ নির্বাচিত করে নিজেদের খেয়ালখুশি ও কামনা অনু্যায়ী, নিজেদের স্বার্থ পূরণের জন্য, এমনকি তারা যদি সমাজের সর্বনিকৃষ্টও হয়।

৩. শূরার রায় যে সর্বদা সঠিক হয়, তা নয়। তাই যদি তিনি উত্তম বিকল্প পান, অথবা মান্য না করায় কল্যাণ আছে বলে মনে করেন তাহলে শূরার রায় মানতে ন্যায়বান শাসক বাধ্য নন। অথচ গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে তা ব্যাপারটা বিপরীত। গণতন্ত্রে যে রায় আসবে সেটাই মানতে হবে।

৪. শূরাতে এমন কোন সিদ্ধান্ত ও আইন নিয়ে আসা হয় না, যা জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়। অথচ গণতন্ত্র সিদ্ধান্ত জোর করে চাপিয়ে দেয়া হয়।

এসব পার্থক্য ছাড়াও, গণতন্ত্র এবং শূরার মধ্যে আরও বেশ কিছু পার্থক্য আছে। এই ইস্যুতে বেশ কিছু ভালো বই আছে, সেগুলো পড়লে ব্যাপারগুলো আরো স্পষ্ট হবে।

এবং বিভিন্ন দিক থেকে সংসদে অংশগ্রহণ করা মারাত্মক মুনকার (মন্দ), বেশ কয়েকটি দিক থেকে –

১. জনগণের আইনকে স্বীকৃতি দেয়া। সংসদ হল একটি বিধানসভা, যা আইন প্রণয়ণ করে। তাই এতে অংশগ্রহণ করার অর্থ হল, যে সংসদে অংশগ্রহণ করছে সে আল্লাহর ব্যাতীত অপর বিধানদাতার স্বীকৃতি দিচ্ছে, যা সুস্পষ্ট কুফর। এমনকি ইসলামপন্থীরাও যদি সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়, এবং সংবিধানকে ইসলামসম্মত করে, তবুও সেটা আল্লাহর বিধান, আল্লাহর আইনের শাসন বলে বিবেচিত হবে না। বরং এটা জনগনে শাসন হিসেবেই বিবেচিত হবে। কারণ এটা করা হয়েছে জনগণের ইচ্ছে অনুযায়ী, আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী না। তাই যখন সংসদ সদস্য পরিবর্তন হয়, তখন আইনও বদলে যায়। সুতরাং এটি কখনোই শরীয়াহর শাসন না।

শরীয়াহ বাধ্য করে, নিয়ন্ত্রন করে, শর্তহীন শাসন করে। যারা একে অস্বীকার করে তাদেরকে তরবারী দ্বারা আঘাত করে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করে, আর এ কাজের আগে আমরা পক্ষ-বিপক্ষের ভোট গুনতে বসি না।

২. এছাড়াও সংসদে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককে সংবিধানকে সম্মান করার শপথ করতে হয়, যে সংবিধানটি মূলত কুফর ছাড়া কিছুই নয়। এছাড়াও এর মধ্যে রয়েছে আরো অনেক মুকাফফিরাত, আর এই সংবিধানকে সম্মান করাও কুফর। তাহলে কীভাবে আপনি এই সংবিধানের ওপর শপথ করেন? কীভাবে এ সংবিধানকে সম্মান ও বাস্তবায়নের শপথ করেন!

৩. যাদেরকে ইসলামপন্থী বলা হয় তারা সংসদে যাবার জন্য দ্বীনের অনেক বিষয়ের ব্যাপারে ছাড় দেয়, দিয়ে আসছে। কিন্তু সংসদে যাবার জন্য দ্বীনের ব্যাপারে যা কিছু তারা ছাড় দিয়েছে তার ভগ্নাংশও তারা অর্জন করতে পারেনি। বর্তমান অবস্থা খেয়াল করলেই আপনারা তা ভালো করেই বুঝবেন।

 

শাইখ আহমাদ শাকির (রহ) তার উমদাতুল তাফসীরে আল্লাহর বাণী, এবং পরামর্শ করো তাদের সাথে” [আলী ইমরান: ১৫৯] এর আলোচনায় খুব সুন্দর ভাবে শূরার সাথে গণতন্ত্রের তুলনা করে দেখিয়েছেন। যারা গণতন্ত্রকে শূরার একটি প্রকারভেদ বলে দাবি করে এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহবান করে, এখানে শাইখ আহমাদ শাকির তাদের সুন্দর জবাব দিয়েছেন। তাই আমি আপনাদের বলবো শাইখের উমদাতুল তাফসির পড়ে দেখুন, কারণ এতে এমন কথা আছে যা স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখার মত।

৯/১১ হামলার ব্যাপারে শাইখ নাসির আল-ফাহদের ফতোয়া

আস সালামু আলাইকুম, আপনার উপর আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক

সম্মানিত শায়খ, ভিসা কি শার’ঈ আমান (নিরাপত্তা চুক্তি) হিসেবে গণ্য হবে? যদি ভিসা শার’ঈ আমান হিসেবে গণ্য হয় তাহলে যেসব মুজাহিদীন অ্যামেরিকার টুইন টাওয়ারে হামলা চালিয়েছেন তারা কি শার’ই চুক্তি ভঙ্গকারী হিসেবে গণ্য হবেন?

Continue reading

আল্লাহর পথে ৮ টি বাঁধা – শায়খ ইউসুফ আল উয়াইরি রহঃ

কোন জিনিসগুলো আল্লাহর রাস্তা থেকে মানুষকে আটকে রাখে? কীভাবে দুনিয়া মানুষকে বিভ্রান্ত করে? পড়ুন শায়খ ইউসুফ আল উয়াইরির রহঃ অনবদ্য রচনা…

 

ডাউনলোড

ডাউনলোড

আহলুল কিবলা ও তাবীলকারীরা – শায়খ আবু কাতাদা আল ফিলিস্তিনি হাফিযাহুল্লাহ

ডাউনলোড লিংক ১

ডাউনলোড লিংক ২

ডাউনলোড লিংক ৩

 

লেখা ও লেখকের জিম্মাদারি

(প্রায় ত্রিশ বছর আগের এ লেখাটি আজো প্রাসঙ্গিক। প্রকৃতপক্ষে গভীর অন্তর্দৃষ্টির মাধ্যমে যে সত্য দৃষ্টিগোচর হয়, শব্দের গাঁথুনিতে তার  প্রকাশ যুগে যুগে প্রাসঙ্গিক রয়ে যায়। ইউনুস খালিস রহঃ যে কলম ও লেখকদের কথা বলেছেন তারা আজো আছে, কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে কিন্তু সেই পুরনো বিষ আকড়ে ধরে। তাওহিদের পথের পথিকরা ইনশা আল্লাহ এ লেখা থেকে উপকৃত হবেন।)

Continue reading

মিথ্যে গণতন্ত্র

ডাউনলোড করুন –

লিঙ্ক ১

লিঙ্ক ২

লিঙ্ক ৩

 

যদিও ইরাক আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় আমেরিকা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সাথে আলোচনা করেনি, এবং সাধারন পরিষদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেনি, তবুও বাস্তবতা হল জাতিসংঘের সাধারন পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদ দুটোই আমেরিকার পরিকল্পন অনুযায়ীই ১৯৪৫ সালে স্থাপিত হয়েছিল। এ গণতন্ত্রকে ঘিরে একটি মিথ্যার পুনরাবৃত্তি করা হয় আর তা হল, মুসলিম উম্মাহ ও দেশগুলোতে গণতন্ত্রের অনুপস্থিতিই হল মুসলিম উম্মাহর তীব্র সমস্যার কারণ।

Continue reading

আত-তাওকিদ – শায়খ সুলাইমান আল উলওয়ান

তাওহিদ ও তাওহিদের সঠিক দাওয়াত নিয়ে শায়খ আল-আল্লামা সুলাইমান বিন নাসির আল-উলওয়ানের অনবদ্য একটি রচনা হল আত-তাওকিদ। সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর অর্থবোধক এ লেখাটি ইন শা আল্লাহ সকল মনযোগী পাঠকের জন্য অত্যন্ত উপকারী হবে।

 

 

ডাউনলোড লিংক ১ – http://pc.cd/IqJ

ডাউনলোড লিংক ২ – http://bit.ly/2D1dAMd

ডাউনলোড লিংক ৩ – http://bit.ly/2oNTUIL

শায়খ আবু কাতাদার সংক্ষিপ্ত জীবনী

শায়খ আবু কাতাদা ওমর মাহমুদ ওসমান হাফিযাহুল্লাহ একজন ফিলিস্তিনী বংশোদ্ভুত এক জর্ডান প্রবাসী আলেম। দাওয়াতি তৎপরতার কারণে পৃথিবীর অনেক দেশে তাঁকে শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বলে তলব করা হয়েছে। পরবর্তীতে জর্দানের ছোট্ট রাষ্ট্রে তার বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ জারি করা হয়েছে। তিনি বৃটেনেও কারাভোগ করেছেন।

Continue reading

আল্লাহর শরীয়াহ পরিবর্তনকারী শাসকদের ব্যাপারে শরয়ী বিধান – শাইখ আবু কাতাদা আল-ফিলিস্তিনি

আল্লাহ  তাআলার শরিয়ত পরিবর্তনকারী শাসকদের শরয়ী’ হুকুম জানা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ওয়াজিব। এই বিষয়টাকে অপ্রাসঙ্গিক জ্ঞান করে এড়িয়ে যাবার কোন সুযোগ নাই।

কারণ, কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও মারত্মক পর্যায়ের সমস্যা এই বিধানকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়। সেগুলোর অন্যতম হল, এই জাতীয় শাসকদের থেকে সম্পর্ক ছিন্ন  করা, তাদের আনুগত্যে পা না দেয়া, তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ওয়াজিব হওয়া

এই প্রত্যেকটি মাসআলাই এমন যে, এর উপর পূর্ববর্তী সকল আহলে ইলম একমত পোষণ করেছেন

Continue reading

কুতুব ও কারদাবি – ড. তারিক আব্দুল হালিম

সাইয়্যিদ কুতুব রহঃ ও ইউসুফ আল-কারদাবি। ইখওয়ানুল মুসলিমীন এবং জামায়াতে ইসলামীর চিন্তাধারার সাথে এ দুটো নাম যুক্ত।

কিন্তু এ দুজনের চিন্তা কি সামঞ্জস্যপূর্ণ? দু’জনের চিন্তা কি মৌলিকভাবে এক, নাকি গুরুতর পার্থক্য বিদ্যমান? ইখওয়ান এবং জামাত কি সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তার অনুসরণ করে? নাকি কারদাবির?

বস্তুত সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তাকে ইখওয়ান-জামাতের সাথে ব্যপকভাবে যুক্ত করা হলেও বর্তমানে এ দুটী দল কোন ভাবেই সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তার অনুসরণ করে না। বরং তাদের ঘোষিত অবস্থান অনুযায়ী সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তা ‘তাকফিরি” এবং “চরমপন্থী”। অন্যদিকে সাইয়্যিদ কুতুবের চিন্তা অনুযায়ী বিচার করলে ইখওয়ান ও জামাত ব্যাপকভাবে জাহেলিয়্যাতের মধ্যে নিমজ্জিত।

Continue reading

এক মহীরুহঃ শায়খ ইউসুফ আল উয়াইরির রহঃ জীবনি

কিছু মানুষ অন্যদের জন্য রোলমডেলে পরিণত হন। কিছু মানুষের জীবন অন্যদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা যোগায়। আর কিছু মানুষ এমন থাকেন যে তাদের জীবনটাই অন্যদের জন্য দাওয়াতে পরিণত হয়। আজ এমন এক জীবনের গল্প তুলে ধরবো আপনাদের সামনে। মাত্র একত্রিশ বছরের জীবনে ছুটে বেড়িয়েছেন নানা দেশে, নানা ময়দানে। যুদ্ধ করেছেন দুই সুপার পাওয়ারের বিরুদ্ধে। সামরিক ময়দানে এবং মনস্তাত্ত্বিক তথা বুদ্ধিবৃত্তিক ময়দানে। পাশ করেছেন ইউসুফের আলাইহিস সালাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। নিজের সর্বস্ব উজার করে দিয়েছেন তাওহিদের দাওয়াহ ও তাওহিদ প্রতিষ্ঠান জন্য। নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন ‘ইলমের সন্ধানে। তুচ্ছ করেছেন নিজের জীবনকে, তাওহিদ ওয়াল হাদিদের সম্মানিত পথে ব্যয় করেছেন সবকিছু। আলিম, মুজাহিদ, মুফাক্কির। রণকৌশলবিদ, মিডিয়া মাস্টারমাইন্ড, দা’ঈ ইলাল্লাহ শায়খ ইউসুফ বিন সালিহ বিন ফাহদ আল-উয়ায়রি, রাহিমাহুল্লাহ।

এক মহীরুহ!

Continue reading

শায়খ নাসির আল-ফাহাদের জীবনি

শায়খ নাসির আল-ফাহাদের জীবনি। আল্লাহ সুবহানু ওয়া তা’আলা তার মুক্তি ত্বরান্বিত করুন

তার নাম, বংশপরিচয় ও বাসস্থানঃ

তার নাম নাসির ইবনে হামাদ ইবন হুমাইয়্যিন ইবনে হামাদ ইবন ফাহাদ। তিনি জন্মেছেন আল-আসা’ইদা আল-রাওয়াকিয়া গোত্রে। তার পূর্বপুরুষ ছিলেন বনি সাদ ইবনে বাকর, যারা শৈশবে রাসুল (সাঃ) কে লালন পালন করেছিলেন। বর্তমানে তারা উতাইবাহ নামে পরিচিত। তার মায়ের নাম নুরা আল গাজী। তিনি জন্মসূত্রে আল দাওয়াসীর গোত্রের। শায়খ নাসিরের পারিবারিক বাসস্থান ছিলো আল-সুয়াইরে যেটি “আল-যুলফি” নামক গ্রামে অবস্থিত।। শায়খ আল-আল্লামাহ মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহীমের(রাহিমাহুল্লাহ) সাথে কাজ করার জন্য শায়খ নাসিরের পিতা শেখ হামাদ ইবনে হুমাইয়্যিন রিয়াদে গিয়েছিলেন। তার সাথে তিনি ১৮ বছর অতিবাহিত করেন এবং রিয়াদেই মৃত্যুবরণ করেন।

Continue reading

ইসলাম ও ইখওয়ানঃ সংঘাত যেখানে

ইখওয়ান ও সমমনা দলগুলো মাসলাহাত, আধুনিকায়ন ও বাস্তবমুখী হবার নাম করে ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন আক্বিদা ও মানহাজগত বিচ্যুতির স্বাভাবিকীকরন করেছে। প্রয়োজন মতো শারীয়াহর নসের বিকৃতি ও ভুল ব্যাখ্যা করেছে, আর যখন তা যথেষ্ট হয় নি তখন বিভিন্ন বুদ্ধিজাত ব্যাখ্যা-বিশ্লেষন আর রেটোরিক দিয়ে যা জায়েজ করা দরকার তা জায়েজ করে নিয়েছে। যখনই তাদের এসব কার্যক্রমকে শরীয়াহর মানদণ্ডে বিচার করার চেষ্টা করা হয়েছে তারা বিভিন্ন ভাবে তা এড়িয়ে গেছে। নিজেদের কল্পিত বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষ, “হিকমাহ” আর মাসলাহাতের বুলি আওড়ে অভিযোগকারীকে বোকা, নির্বোধ, বাস্তবজ্ঞান ও কান্ডজ্ঞানহীন প্রমাণে সচেষ্ট হয়েছে।

Continue reading

ধর্মনিরপেক্ষতা হল শিরক

মানব রচিত আইনই জুলুমের উৎস এবং জালেমদের অভয়ারণ্য। এটা এমন এক প্রান্তর যেখানে আশঙ্কাজনকহারে বাড়তে থাকে নানান জটিলতা। নতুন করে জন্ম নেয় আরও বহু বিয়োগান্তক ঘটনা।

পড়ুন ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে শায়খ মুহাম্মাদ আল ফিজাজির ফাকাল্লাহু আসরাহ বিশ্লেষণ: ধর্মনিরপেক্ষতা হল শিরক

 

ডাউনলোড লিঙ্ক ১

ডাউনলোড লিঙ্ক ২

ডাউনলোড লিঙ্ক ৩

ইউসুফ আল কারদাবিঃ তার পরিচয় ও চিন্তাধারার পর্যালোচনা

প্রত্যেক বিচ্যুতির একটি মূল থাকে।” আর আধুনিক সময়ের মর্ডানিস্ট এবং বিশেষ করে মডারেটদের বিচ্যুতির মূল হল এ ব্যক্তি – ইউসুফ আল-কারদাবি।

মর্ডানিস্ট বলুন কিংবা মডারেট বলুন আধুনিক সময়ের ফিরকাগুলো তাত্ত্বিক ও আদর্শিক ভাবে এক ব্যক্তির কাছে কৃতজ্ঞ। কাফিরের সংজ্ঞা, আল ওয়ালা ওয়াল বারা, হুদুদ, ফ্রি-মিক্সিং, সঙ্গীত, হাদীসের মনগড়া ব্যাখ্যা, কোন শার’ই বিধানকে বর্তমান সময়ে অপ্রযোজ্য ঘোষণা করা, ব্যাঙ্কিং, জিহাদ, আক্বিদাসহ ইসলামের যেসব বিষয়ে ক্রুসেডাও ও যায়নিস্টদের অ্যালার্জি আছে তার সবগুলোর ক্ষেত্রেই মর্ডানিস্ট ও মডারেট – দু দলই একজন ব্যক্তিকে কমন রেফারেন্স পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে।

Continue reading

সংশয়ঃ শত্রুসংখ্যা মুসলিমদের দ্বিগুণ হলে তাদের মুকাবিলা বৈধ নয়।

মুফতি জামিল মাহমুদ

এদেশীয় একজন স্বঘোষিত সালাফি আলেম ‘ডক্টর সাইফুল্লাহ’ আরাকান ইস্যুতে উক্ত ফতোয়া প্রদান করেছিলেন। আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ আরও এগিয়ে গিয়ে বলেছেন “সমান সমান না হলে মুকাবিলা ইসলামে জায়েজ নয়।”
(লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ)
অথচ, বদর, উহুদ, মুতা সহ অধিকাংশ যুদ্ধই এই ফতোয়া অনুযায়ী হারাম হওয়ার কথা! (নাউজুবিল্লাহ)
মূলত, বিষয়টি হচ্ছে,

“কাফিরদের সংখ্যা মুসলিমদের দ্বিগুণ হলে যুদ্ধক্ষেত্রে থেকে পালানো বৈধ। কিন্তু যদি মুসলিমদের সংখ্যা ১২০০০ এর অধিক হয় তাহলে দ্বিগুণ হলেও পালানো বৈধ নয়।”

অথচ, এই বিষয়টিকে যুদ্ধে শামিলের শর্ত বানিয়ে ফেলা হচ্ছে! কতই না নিকৃষ্ট গোমরাহি। বিস্তারিত জানতে পড়ুনঃ

Continue reading

মানবরচিত আইন দ্বারা বিচার: ছোট কুফর না বড় কুফর?

শায়খ আবু হামজা আল মাসরি

ডাউনলোড

সংশয়ঃ মুখমন্ডল হিজাবের অংশ নয়

মাওলানা আলী হাসান তৈয়ব

বর্তমান বিশ্বে হিজাব পশ্চিমা রাজনৈতিক নেতৃত্বের মাথাব্যথার বিষয়। তারা সাংস্কৃতিক আগ্রাসন হিসেবে চিহ্নিত করে হিজাবের প্রসারকে বাধাগ্রস্থ করতে নানা কৌশল ও প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে। এর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক ও নিকোলা সারকোজি, সাবেক ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জ্যাক স্ট্র, রাশিয়ার প্রেসিডেন্টসহ বহু রাজনীতি ও শিক্ষাবিদসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ পেশার লোক। Continue reading

সরকারি চাকুরির হুকুম!

শায়খ আবুন নূর ফিলিস্তিনী হাফিজাহুল্লাহ

আসসালামু আলাইকুম

প্রশ্ন: ইরাকে তাগুত সরকারের প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করা এবং তাতে যোগদান করার বিধান কী?

  • প্রশ্নকর্তাঃ আবু উবাইদাহ

উত্তর:

الحمد لله رب العالمين والصلاة والسلام على خاتم الأنبياء المرسلين و على آله وصحبه ومن تبعهم بإحسان إلى يوم الدين، وبعد

প্রশ্নকারী ভাই, আল্লাহ তাআলা আমাকে আপনাকে তাঁর পছন্দ ও সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত করুন। জেনে রাখা দরকার, তাগুত সরকারের অধীনে চাকুরী করা- ইরাকেই হোক বা অন্য কোনো মুসলিম দেশে, যেখানে কুফুরী বিধিবিধান অগ্রাধিারযোগ্য, যার পরিচালনার দায়িত্বও তাদের হাতে; এমতাবস্থায় বিষয়টি তিন বিধানের কোনো একটির বাইরে না।

হয়তো কুফরী হবে অথবা হারাম হবে নতুবা মাকরূহ হবে। প্রত্যেকটি বিধান তার কারণ অনুপাতে প্রযোজ্য। Continue reading

تبصير العقلاء بتلبيسات أهل التجهّم والإرجاء

تبصير العقلاء

بتلبيسات أهل التجهّم والإرجاء

وهو رد على كتاب (التحذير من فتنة التكفير)

للشيخ أبي محمد عاصم المقدسي

ডাউনলোড

 

A Decisive Refutation of the Neo-Murjia

আমাদের দেশের অনেক মুরজিয়ারা ইংল্যান্ডের মুরজিয়া প্রতিষ্ঠান Salafi Publications এর গোঁজামিল দেয়া দলীলসমূহ থেকে নিজেদের ভ্রান্ত আকিদার স্বপক্ষে প্রমাণাদি পেশ করার চেস্টা করে থাকে।

Salafi Publications মুরজিয়াদের স্বপক্ষে যত দলীল আনা সম্ভব সবই এনেছে তাই এই বইটির খন্ডন মুরজিয়াদের আকিদাগত বিচ্যুতি স্পষ্ট করার জন্য যথেষ্ট হবে ইনশা’আল্লাহ।

বইটি অনুবাদের কাজ চলছে। ইনশা’আল্লাহ শীঘ্রই আপনাদের কাছে বাংলায় আমরা তা পৌঁছে দিতে পারব।

A Decisive Refutation of the Neo-Murjia

 

Abū Huthayfah Yūsuf Al-Kanadī
Abū Sulaymān Haythem Ash-Shāmī

Download The PDF

সংশয়ঃ কুফরে লিপ্ত ব্যক্তির ব্যাখ্যার ওজরকে উপেক্ষা করা

শায়খ আবু কাতাদা আল ফিলিস্তিনি

মাদখালি-মুরজিয়াদের একটি মারাত্মক সংশয়ঃ
“সালাফরা মুতাজিলা শাসকদের তাকফির করেন নি, তাই আল্লাহ’র আইন প্রত্যাখ্যানকারীদেরকেও তাকফির করা যাবে না।”

খাওয়ারিজদের একটি মারাত্মক সংশয়ঃ
“কোনো প্রকার কুফরে আকবার পেলেই তাউইয়িল বা ব্যাখ্যার সুযোগকে অগ্রাহ্য করে ঢালাও তাকফির করতে হবে।” Continue reading

সংশয়ঃ শাসকপন্থী বিখ্যাত আলেমদের বিরোধীতা উচিৎ নয়!

শায়খ আবু কাতাদা আল ফিলিস্তিনি হাফিজাহুল্লাহ

পিডিএফ ডাউনলোড

প্রশ্নঃ

অনেক তরুণ (বিশেষত যাদের বিভিন্ন মুসলিম রাষ্ট্রে সরকারি ও এসব শাসনপন্থ আলেমদের সাথে সম্পর্ক/আন্তরিকতা রয়েছে তারা) বলে যে তোমাদের শায়খ আবু কাতাদা এমন অনেক বিষয় অবতারণা করেন যা আমাদের দেশের ‘আহলুল হল্ল ওয়াল আক্বদ’ তথা কর্তৃত্ববান আলেমদের প্রচলনের পরিপন্থ Continue reading

“যে কাফেরকে কাফের বলেনা সে কাফের” – এই মূলনীতির বিশ্লেষণ!

আল্লামা সুলাইমান আল উলওয়ান

“কাফের কে কাফের না বললে কাফের হয়ে যাবে” এই মূলনীতির ব্যাখ্যা রয়েছে ।

এখানে ৭ টি প্রকার রয়েছেঃ Continue reading

মুরজিয়াদের অপকৌশল

আল্লামা সুলাইমান আল উলওয়ান

বর্তমানে লোকদের স্বভাব হয়েছে যে ভিন্নমত পোষনকারীদের খারেজি বলে ঘায়েল করছে। যে ব্যক্তি আমর বিল মারুফ নাহি আনিল মুনকার করতে গেল ব্যাস খারিজি হয়ে গেল, যে মুরতাদদেরকে কাফের বললো সে খারেজি হয়ে গেল, বিশৃংখলা সৃষ্টিকারী বিকৃতিগ্রস্থদের যারা প্রকাশ করে দিলো খারেজি হয়ে গেল, কেউ ঈমান ভঙ্গের কারণসমূহ নিয়ে আলোচনা করেছেন তো ব্যাস খারেজি আখ্যা পেয়ে যাচ্ছেন। Continue reading

ভাস্কর্য, প্রতিমা ও স্মৃতিসৌধের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের বিধান

শায়খ সালিহ আল ফাওজান

পিডিএফ ডাউনলোড

ভাস্কর্য হলো বিশিষ্ট মূর্তি। আর স্মৃতিসৌধ (যার আরবী প্রতিশব্দ نصب) নিশানা ও পাথর। মুশরিকগণ তাদের কোনো নেতা বা সম্মানিত ব্যক্তির স্মৃতিচারণায় এসব স্মৃতিসৌধের কাছে কুরবানী করত। Continue reading

প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক জিহাদের মাঝে পার্থক্য

প্রশ্ন:

প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক জিহাদের মাঝে পার্থক্য কী?

প্রতিরক্ষামূলক জিহাদের জন্য কি ঝাণ্ডা ও ইমাম থাকা শর্ত? Continue reading